একটি লিপলেটে সরগরম রাঙ্গামাটির ক্রীড়াঙ্গন !

913
Advertisement

: ক্রীড়া প্রতিবেদক : ডাক পোস্টে আসা ডিএসএ,র প্রার্থীদের কমিটির ফরম্যাটে একটি লিপলেটে সরগরম হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটির ক্রীড়াঙ্গন। সোমবার নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর কাছে আসা এই লিপলেটটি এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ডিএসএ,র নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে এমন ঘটনায় প্রার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাওয়ার পাশাপাশি এমন কুরুচীপুর্ণ কর্মকান্ডের জন্য চলছে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়। পাশাপাশি নতুন করে নিজেদের মাঝে অবিশ্বাস-অনাস্থা কাজ করা শুরু করেছে। সন্দেহের আঙুলটা একে অপরের দিকে তাক করছে প্রার্থীদের কেউ কেউ।
জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে অংশ নেয়া নির্দিষ্ট কয়েকজন প্রার্থীর কাছে ডাকযোগে একটি করে খাম পৌছায়। খামে প্রেরকের নাম উল্লেখ ছিল না। খাম খুলে প্রার্থীরা নামসহ কমিটি গঠনের একটি লিপলেট হাতে পায়। যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়া এ লিপলেটটিতে পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীকে ১নং সহ সভাপতি ও শফিউল আজমকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি আংশিক কমিটি দাড় করিয়ে কাউন্সিলরদের কাছে ভোট চাওয়া হয়। কমিটিতে সহ সভাপতি হিসেবে এ্যাড: মামুনুর রশিদ মামুন ও প্রীতম রায়, সহ সাধারণ সম্পাদক নিভানন চাকমা, যুগ্ম সম্পাদক মিথুল দেওয়ান ও আবদুস সবুর, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম, সদস্য পদে মো: শাহ আলম, আহমেদ ফজলুর রশিদ সেলিম, আশীষ কুমার নব, আবু তৈয়ব, মোঃ তৌহিদুল আলম মামুন, তাপস কুমার চাকমা, জয়জিৎ খীসা নতুনের নাম উল্লেখ করা হয়।
এ লিপলেটে নিজেদের নাম দেখে ক্ষেপেছেন অনেক প্রার্থী। স্ব-স্ব নামে ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে কমিটি সম্বলিত লিপলেটটি পোষ্ট করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে কেউ কেউ লিখেছেন, এমন কুরুচীপুর্ণ কাজ নিঃসন্দেহে নোংরা নীচু মানসিকতার পরিচয়। ডিএসএ,র আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ কাজটি করা হয়েছে।
কেউ কেউ লিখেছেন, এমন নোংরামী আজকে নতুন নয়, অতীতেও হয়েছে। কারা এ কাজটি করেছে, তা কমবেশি সবাই বুঝে নিয়েছে। যারা জেলা ক্রীড়া সংস্থায় নতুন নেতৃত্ব আসাকে ভয় পায়, এটা তাদের কাজ। তারা লিখেছেন, এমন ঘৃণ্য ও নোংরা কাজের সাথে তাদের কোন রকমের সম্পৃত্ততা নেই। সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন থাকার আহবান জানানো হয়।
সোমবার দুপুরে রাঙ্গামাটি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের আয়োজনে সংকটে রাঙ্গামাটির ক্রীড়াঙ্গন এবং উত্তরণের উপায় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিষয়টি জানতে পেরে পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী বলেছেন, মুলতঃ কিছু ব্যক্তির ক্লিন ইমেজকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এমন হীন কাজ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি জড়িতদের খুঁেজ বের করে আইনের আওতায়ও আনার আহবান জানান তিনি।