জ‌য়ে শুরু অ‌স্ট্রে‌লিয়ার বিশ্বকাপ মিশন

101
Advertisement

: স্পোর্টস ডেস্ক : প্রোটিয়াদের সংগ্রহ খুব একটা বড় ছিল না। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ২০ ওভারে মাত্র ১১৮ রানেই থেমে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।

তবে এই অল্প রান নিয়েই অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে প্রোটিয়া বোলাররা। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ম্যাচটি জিততে পারেনি তারা। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ৫ উইকেটে জিতে শেষ হাসিটা হাসল অস্ট্রেলিয়া।

কঠিন লড়াইয়ের পর লো স্কোরিং ম্যাচটি জিততে অস্ট্রেলিয়াকে খেলতে হয়েছে ১৯.৪ ওভার পর্যন্ত। মাত্র ২ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জয় পেয়েছে অজিরা। শেষদিকে ১৬ বলে ২৪ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেছেন মার্কাস স্টয়নিস।

১১৯ রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে সাজঘরে ফিরে যান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। পাওয়ার প্লে’র ছয় ওভারে মাত্র ২৮ রান তুলতেই হারায় ২ উইকেট।

ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার রয়েসয়ে শুরু করলেও ১৫ বলে ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি। তিন নম্বরে নামা ইনফর্ম ব্যাটার মিচেল মার্শও হতাশ করেন। তার ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে মাত্র ১১ রান। ইনিংসের ১০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৫১ রান।

শেষ তিন ওভারে তাদের জয়ের জন্য বাকি থাকে ২৫ রান। ম্যাচটি বের করে নেওয়ার প্রবল সম্ভবনা দেখা দেয় দক্ষিণ আফ্রিকার। কিন্তু মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাথু ওয়েডের দায়িত্বশীল ব্যাটে দুই বল আগেই জিতে যায় অস্ট্রেলিয়া। ওয়েড ১০ বলে ১৫ ও স্টয়নিস ১৬ বলে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি প্রোটিয়াদের। পাওয়ার প্লে’র ছয় ওভারে মাত্র ২৯ রান করতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। অবশ্য ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারটা দারুণই কেটেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার।

পাওয়ার প্লে’র মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি প্রোটিয়াদের। তবে একপ্রান্ত আগলে ছিলেন এইডেন মারক্রাম। তিনি আউট হন ইনিংসের ১৮ নম্বর ওভারে গিয়ে। মারক্রামের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে ৪০ রানের ইনিংস।

এছাড়া হতাশ করেন হেনরিখ ক্লাসেন (১৩), ডেভিড মিলার (১৬), ডোয়াইন প্রিটোরিয়াসরা (১)। শেষদিকে কাগিসো রাবাদা একটি করে চার-ছয়ের মারে ১৯ রান করে দলীয় সংগ্রহ একশ’ পার করানোর পাশাপাশি সর্বনিম্ন সংগ্রহের রেকর্ডও পার করিয়ে দেন।

আজদের পক্ষে বল হাতে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন প্যাট কামিনস, অ্যাডাম জাম্পা ও মিচেল স্টার্ক। জশ হ্যাজলউড ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের শিকার করেন একটি করে উইকেট।